স্ট্যাটাসে তসলিমা মন্তব্য করেছেন, কানাইয়ার শত্রুরাই কানাইয়াকে হিরো বানিয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘ছেলেটা চমৎকার বলে। গলায় দমও আছে সাংঘাতিক।’
তবে এরপরই নিজের অভিজ্ঞতার বরাতে তসলিমা লিখেছেন, ‘এরকম সৎ এবং স্বপ্নবান ছাত্রনেতা অনেক দেখেছি। দেশের রাজনীতিতে নামার পর অবশ্য এদের আদর্শ বিচ্যুতি ঘটে। এরা দেশের আর সব অসৎ রাজনীতিকদের মতোই মিথ্যে বলে, চুরি ডাকাতি করে, সততা ছুঁড়ে ফেলে, স্বপ্নকে কবর দিয়ে দেয়।’
স্ট্যাটাসে তসলিমা প্রশ্ন তোলেন, ‘কানহাইয়া কি ভবিষ্যতের সীতারাম ইয়েচুরি, প্রকাশ কারাত, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য? বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মতো কানহাইয়া কি ক্ষমতায় এলে অন্যের বাক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে? বই নিষিদ্ধ করবে? লেখককে দেশ থেকে তাড়াবে?’
সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘স্বস্তি পাই আবার সংশয়ও জাগে। ভালো লাগে, আবার ভয়ও হয়।’
উল্লেখ্য, ৯ ফেব্রুয়ারি ক্যাম্পাসে আফজাল গুরুর সমর্থনে আয়োজিত কর্মসূচিতে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে ১২ ফেব্রুয়ারি কানহাইয়া কুমারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের ২২ দিন পর বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্তি পেয়ে কানহাইয়া বলেন, ‘ভারত থেকে নয়, ভারতেই স্বাধীনতা চান তিনি।’ ক্যাম্পাসে ফিরেই সম্প্রতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠা ‘আজাদি’ তথা স্বাধীনতার প্রশ্নটি সামনে আনেন এই ছাত্রনেতা। বলেন, ‘ক্ষুধা, দুর্নীতি, বৈষম্য এবং পশ্চাদপদতা থেকে স্বাধীনতা চাই।’ সূত্র: ফেসবুক
/বিএ/