স্লোভেনিয়া সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার একদিন পরই হাঙ্গেরির তরফে এই ঘোষণা এলো। সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে পিন্টার বলেন, ‘আমরা জানি না, বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্তের পর শরণার্থীরা কেমন আচরণ করবেন।’ গত বছর থেকেই মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে নিষেধাজ্ঞা জোরদার করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সার্বিয়ার সঙ্গে হাঙ্গেরির সীমান্তে ১৭৫ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণ।
হাঙ্গেরির পুলিশের এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, হাঙ্গেরি-সার্বিয়া সীমান্তে কয়েকটি ফাটল রয়েছে, প্রতিদিন সীমান্ত পারাপারের সময় প্রায় ১০০ থেকে ২০০ জন মানুষকে পুলিশ কর্তৃপক্ষ আটক করে। পুলিশ জানিয়েছিল, মঙ্গলবার ১২৭ জনকে আটক করা হয়েছিল। ১ মার্চ থেকে আটকের এই সংখ্যাটি ৯৭৬ জন।
হাঙ্গেরিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর মাইগ্রেন্টস-এর পরিচালক আন্দ্রাস কোভাটস জানিয়েছেন, হাঙ্গেরির কারাগার এবং ক্যাম্পগুলোতে শরণার্থীর সংখ্যা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে এখন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, ‘সার্বিয়া থেকে কতজন এখানে প্রবেশ করেছে, সে সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।’
গত বছর ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৩৫ জন আশ্রয় লাভের জন্য আবেদন করলেও কেবলমাত্র ১৪৬ জনের আবেদন গ্রহণ করা হয়। আরও ৩৬২ জনকে অস্থায়ীভাবে সেখানে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০১৫ সালে প্রায় ১০ লাখ শরণার্থী নৌকায় করে ইউরোপে আসে। আর চলতি বছরে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩০ জন ইউরোপে পৌঁছেছে। সূত্র: আলজাজিরা।
/এসএ/এফইউ/