আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে আহত নারীদের বিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূমিকম্পে আক্রান্ত কুনার এলাকা অত্যন্ত রক্ষণশীল হওয়ায়, সামাজিক কারণেই নারীদের চিকিৎসা দেরিতে দেওয়া হতে পারে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু বাড়ি ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে’ চাপা পড়েছে। কয়েকটি গ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
হাসপাতালে নেওয়া কোনও নারী বা শিশুর ছবি প্রকাশ না করা হলেও আহতদের মধ্যে অবশ্যই তারা রয়েছেন। জালালাবাদের প্রধান হাসপাতালে খবর সংগ্রহে যাওয়া এক স্থানীয় ফ্রিল্যান্স প্রতিবেদক জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারে করে যাদের আনা হয়েছে তাদের মধ্যে নারীরাও আছেন।
তবে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা আহত নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন ওই প্রতিবেদক।
ধারণা করা হচ্ছে, কিছু মহিলা হয়ত দিনের আলোর জন্য অপেক্ষা করতে চান যেন পরিবারের সদস্যরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারে। এটাও বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ যে, ঘটনাস্থলে কোনও মহিলা উদ্ধারকারী নেই।
পূর্বাঞ্চলে ছয় মাত্রার ওই ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট শতাধিক ছাড়ানোর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহত হয়েছেন তিন হাজার মানুষ।
তালেবান সরকারের সূত্র বলছে,দুর্গম এলাকা হওয়ায় সঠিক হিসাব দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই কর্মকর্তারা উচ্চ সংখ্যক হতাহতের আশঙ্কা করছেন এবং বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উপকেন্দ্রের কাছাকাছি ভূমিধসে কিছু এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নে দীর্ঘ সময় লাগবে।