হয়রানির শিকার ওই নারীদের পক্ষের এনজিও কোইনসিডির মুজেরিস কর্তৃপক্ষ জানায়, মেক্সিকোর কোয়েরেটারো শহরের নারী ইউনিটের জন্য সদস্য বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুরুতে তরুণীদের বাছাই করা হচ্ছে। তাছাড়া তাদের ওজন কেমন এবং তারা দেখতে কেমন সেগুলোও দেখা হচ্ছে। পরে মানবাধিকার কমিশন বরাবর দুই পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগ দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে নিজেদের ফেসবুক পেজে কোয়েরেটারো পুলিশ কর্মকর্তাদের সাক্ষ্যসমৃদ্ধ একটি নথিও প্রকাশ করেছে কোইনসিডির। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন, তাদেরকে বিভিন্ন ধাপ পেরুতে হচ্ছে। পুরো পরিস্থিতি ক্ষোভ, অসহায়ত্ব, হতাশা আর কষ্টে ভরে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন তারা।
এক নারী ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি পুলিশ কর্মকর্তা হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছি, শো গার্ল হওয়ার জন্য নয়।’
কোয়েরেটারো পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে এ ধরনের ইউনিট স্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের কোনও পরিকল্পনা নেই। পুলিশ বাহিনীর ভেতরে এ হয়রানির অভিযোগ নিয়ে কোনও মন্তব্যও করেনি তারা। এ ব্যাপারে মানবাধিকার কমিশনের তদন্তের অপেক্ষায় থাকার কথা বলা হয়েছে।
জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মেক্সিকোতে যৌন নিপীড়নের ঘটনা চরম ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার কারণে দেশটি বিশ্বের বাজে দেশগুলোর তালিকায় ২০ তম স্থানে রয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এফইউ/বিএ/