বুধবার ৩০০ আসনবিশিষ্ট আইনসভার ২৫৩ জন প্রতিনিধিকে বাছাই করতে প্রায় ১৪ হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। বাকি ৪৭টি আসনে বিভিন্ন দলের পাওয়া সর্বমোট ভোটের অনুপাতে দলগুলোর মধ্যে আসন বণ্টন করা হবে।
আরও পড়ুন: ভাইস প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দিলমা’র
দ্য কোরিয়া টাইমসের খবরে বলা হয়, সরকারি দল যদি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে তবে তা দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক জিউন হাই এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কারণ ২০ মাসের মধ্যে তার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর তাই পার্লামেন্টে দলের আধিপত্য থাকলে নিজের মেয়াদকালেই বিভিন্ন আর্থিক ও শ্রম আইনে সংস্কার আনতে পারবেন তিনি।
আরও পড়ুন: মোস্যাক ফনসেকার প্রধান কার্যালয়ে পুলিশি অভিযান
সরকারবিরোধী দলগুলোর মধ্যে বিভাজন থাকায় ক্ষমতাসীন মধ্য ডানপন্থী দলটি ক্ষমতায় বহাল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার সম্পর্কে সাধারণের অনুভূতির ইঙ্গিত পাওয়া যাবে। বহির্বিশ্বের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচনি ইস্যুতে উত্তর কোরিয়া প্রাধান্য পাবে বলে মনে করা হলেও বাস্তবে তা হয়নি। সবকিছু ছাপিয়ে এবার নির্বাচনি ইস্যু হিসেবে অর্থনীতিই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্রিটেন ইইউ ছাড়লে নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে: আইএমএফ
কর্মীদের ছাটাইয়ের উপায় নিয়োগকারীদের জন্য সহজ করে দেওয়ার পরিকল্পনার কারণে অর্থনীতি ইস্যুটি গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া বিক্ষোভের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগও রয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার গড় বেকারত্বের হার ৫ শতাংশকে ছাপিয়ে ফেব্রুয়ারিতে বেকারতের হার ১২.৫ শতাংশ হওয়ায় তা নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/বিএ/