নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে প্রথম নারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুশীলা কারকি। বুধবার এ পদে নিয়োগ পান তিনি। দেশটির সমাজব্যবস্থা অতিমাত্রায় পিতৃতান্ত্রিক। তবে ২০০৬ সালে ১০ বছরব্যাপী গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে নানামুখী পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় নেপালের সমাজে নারীদের অন্তর্ভুক্তি বাড়ছে।
নেপালের সাংবিধানিক গণপরিষদ গত সেপ্টেম্বরে দেশটির রাজতন্ত্র যুগের পর প্রথম সংবিধান প্রণয়ন করে। এতে সরকারের সব শাখায় নারীদের ‘আনুপাতিক অন্তর্ভুক্তির’ অধিকার এবং সম্পদের ওপর সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছেন নারীরা। এতে সেখানকার সমাজে পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।
আরও পড়ুন: কাশ্মিরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আড়াল করতে চাইছে ভারতীয় সেনাবাহিনী!
এর আগে গতবছর নেপালের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সিপিএন-ইউএমএল-এর ভাইস চেয়ারপারসন বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী। নেপালি কংগ্রেসের ওই নির্বাচনে বিদ্যা দেবীর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কুল বাহাদুর গুরুং।
আরও পড়ুন: ভাইস প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দিলমা’র
পার্লামেন্টের ভোটাভুটিতে বিদ্যা দেবী ৩২৭ ভোট পান। নির্বাচনে জয়ের হন্য প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ২৯৯ ভোট প্রয়োজন। বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী নেপালের জনপ্রিয় প্রয়াত জনপ্রিয় কমিউনিস্ট নেতা মদন ভাণ্ডারীর স্ত্রী। তার নাম প্রস্তাব করেন ইউসিপিএন মাওবাদী দলের নেতা পুষ্প কমল দাহাল। বিদ্যা দেবীকে তার দলসহ মোট ১৪টি রাজনৈতিক দল সমর্থন করেছিল। সূত্র: রয়টার্স।
আরও পড়ুন: 'পাকিস্তানে বেপরোয়া তৎপরতা চালাচ্ছে ভারতীয় গোয়েন্দারা'
/এমপি/