এই রায়ে মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো আফ্রিকান ইউনিয়ন সমর্থিত একটি আদালত মহাদেশটির একজন সাবেক শাসকের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হলো।
সাবেক এ প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৯৮২-৯০ সাল পর্যন্ত শাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় থাকার সময় ৪০ হাজার লোককে হত্যার আদেশ দিয়েছেন। ওই সময় তাকে 'আফ্রিকান পিনোশে' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
হাবের সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন। এ আদালতের আইনি বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রায় ঘোষণার সময় ৭৩ বছরের হাবরে চিরাচরিত সাদা আলখাল্লা, সানগ্লাস ও পাগড়ি পরে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। কাপড় মুখ ঢাকা অবস্থায় কাঠগড়ায় নির্বিকার বসে ছিলেন।
বিশেষ আদালতের প্রেসিডেন্ট জিবারদাও গুস্তাভে কাম জানান, হাবরে তিনটি ধর্ষণের ঘটনায়ও সম্পৃক্ত।
নির্বাসনে থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালে সেনেগালে হাবরে গ্রেফতার হন। ১৯৯০ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার নির্যাতিতদের পক্ষ থেকে তার বিচারের দাবি ওঠে।
২০০৫ সালে বেলজিয়াম হাবরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়না জারি করে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার চায়। কিন্তু সেনেগাল আফ্রিকান ইউনিয়নে বিচারের পক্ষে মত। ২০১৩ সালে শাদের একটি আদালত তার অনুপস্থিতিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সূত্র: বিবিসি।
আরও পড়ুন:
- ‘বাংলাদেশি বজরঙ্গি ভাইজান’কে নিয়ে ভারতে তোলপাড়
- মুসলমানদের বেশি করে সন্তান জন্ম দিতে বললেন এরদোয়ান!
- এখন থেকে আর আত্মচিৎকারের অধিকারও থাকছে না চীনা শিক্ষার্থীদের!
/এএ/