সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে (সিএআর) শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে হীরা পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে পর্তুগালের শান্তিরক্ষীরা। খোদ পর্তুগিজ সেনাপ্রধানও বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে ১৮০ জনের মতো জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু পর্তুগিজ সেনা আছে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, দেশটিতে হীরা পাচারে যুক্ত শান্তিবাহিনীর সদস্যরা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার গোটা দেশে প্রায় ১০০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় পর্তুগালের সেনারা। সেনা অফিসারদের বাড়ি ছাড়াও বাঙ্কারসহ একাধিক কাঠামোয় তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে সব মিলিয়ে ১২ পর্তুগিজ শান্তিরক্ষীকে গ্রেফতার করা হয়।
এই ঘটনার পর পর্তুগালের সেনাপ্রধান সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘সিএআর-এ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বেশ কিছু পর্তুগালের সেনা আছে। খবর পেয়েছিলাম তাদের কেউ কেউ হীরা পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও মাদক পাচারেও তারা মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ ছিল। আমরা তল্লাশি অভিযান চালিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ওই সেনারা সামরিক কার্গো বিমানে করে পর্তুগালে মাদক ও হীরা পাচার করতো। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে তারা এই কাজ করছে।
পর্তুগালের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, জাতিগত দাঙ্গা রুখতে ২০১৪ সালে জাতিসংঘ অঞ্চলটিতে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠায়। সূত্র: ডিডাব্লিউ।