রাখাইন পরিস্থিতির ওপর ‘ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে’ থাইল্যান্ড

চলমান রোহিঙ্গা সংকট ও রাখাইনের পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড। শনিবার এক বিরল বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে ত্রাণ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।

602x338_thailand-says-closely-watching-myanmar-crisis-ready-to-provide-aid

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্বেগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে রাখাইনের পরিস্থিতিতে নজর রাখছে থাইল্যান্ড। মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত মানুষদের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রদানের বিষয়টি সব সময় গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে থাই রাজ সরকার।

থাইল্যান্ডে ৯টি ক্যাম্পে মিয়ানমারের ১ লাখ শরণার্থী অবস্থানের কথা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটি এনজিও’র দেওয়া তথ্য অনুসারে, এসব ক্যাম্পের মানুষেরা দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে অবস্থান করছে। তাদের কেউ রোহিঙ্গা নয়।

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রাখাইনে সহিংসতা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দাবি করেছিল, থাইল্যান্ড যেনো মিয়ানমার থেকে পালানো রোহিঙ্গাদের ‘পুশ ব্যাক’ না করে। তাদেরকে যেন শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি ও নিরাপত্তা প্রদান করা হয়।

অবশ্য থাইল্যান্ড রোহিঙ্গাদের শরণার্থী বা বৈধ অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।

বিবৃতিতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আসিয়ান-র দেওয়া বক্তব্যকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে দেশটি। আসিয়ান’র বিবৃতিতে, মিয়ানমারের নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা জানানো হয়।

সূত্র: রয়টার্স।