ইন্দোনেশিয়ার বালির মাউন্ট অং আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনায় দ্বিতীয় দিনে চার শতাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করেছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়। এতে বিপাকে পড়েছেন প্রায় ৫৯ হাজার যাত্রী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকায় বিমান চলাচল স্থগিত রাখা বুধবার সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুউরো নুগরোহো জানান, ভারত মহাসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়ে অগ্ন্যুৎপাতে উৎপন্ন শিখা দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ হয়ে বালির প্রধান বিমানবন্দরের দিকে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দরে আটকে পড়া পর্যটকদের বাসের মাধ্যমে ফেরি টার্মিনালগুলোতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বালির প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কুতা ও সেমিনিয়াক থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে আগ্নেয়গিরিটির অবস্থানে রয়েছে।
বালিতে কয়েকদিন ধরে অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আকাশে প্রায় ৩ কিলোমিটার (২ মাইল) উচু পর্যন্ত ছাইয়ের মেঘ জমেছে। সোমবার বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সর্তকতা জারি করা হয়। এরইমধ্যে প্রায় ১ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন ২৫ হাজার মানুষ। আর গত কয়েকমাসে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ স্থানান্তরিত হয়েছেন।
এর আগে রবিবার ইন্দোনেশিয়ার আগ্নেয়গিরি ও ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ প্রশমন কেন্দ্র ওই এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জানিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল।