৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার পালু শহরে সুনামি

৭.৫ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ার পালু শহরে আছড়ে পড়েছে সুনামি। শুক্রবার প্রায় দুই মিটারের এই সুনামি সুলাওয়েসি দ্বীপের ছোট শহর পালুতে আঘাত হানে। এর আগে ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ইন্দোনেশিয়া। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।

13093

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুনামির আঘাতে ভবন ধস ও নৌযান ভাসিয়ে নিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা বিভাগের প্রধান জানান, পালুতে সুনামি আছড়ে পড়ার খবর তারা পেয়েছেন। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটার শক হয়। এরপরই সুনামি আছড়ে পড়ে। তিনি বলেন, সুনামিটি ছিল দেড় থেকে দুই মিটারের। তা শেষ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এখনও বিশৃঙ্খল। মানুষজন রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি করছে। ভবন ধসে পড়েছে এবং নৌযান সাগরে ভেসে গেছে।

ভূমিকম্পের পরপরই সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে তা এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা হয়। সতর্কতা প্রত্যাহারের পরই সুনামি আছড়ে পড়ে।

এর আগে শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া কেঁপে ওঠে তীব্র ভূকম্পে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। তাতে অন্তত এক জনের মৃত্যু  ও আহত আরও ১০ জন। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সুলাওয়েসি দ্বীপ।  

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে প্রথমে জানিয়েছিল, কম্পনের মাত্রা ৭.৭। তবে পরে জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ৭.৫ তীব্রতার কম্পন ধরা পড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি জাপানেও জারি করা হয়েছিল সুনামি সতর্কতা। 

ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলির মধ্যে প্রথম সারিতেই ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থান। দেশটিতে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প হয়। ২০০৪ সালে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প এবং তার জেরে সুনামি আছড়ে পড়ে অন্তত ১৩টি দেশে। ওই সুনামিতে এসব দেশে দুই লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়াতেই মৃতের সংখ্যা ছিল এক লাখ বিশ হাজার।