মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান ও দেশটির রাজনৈতিক নেতাদের বন্দি করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে প্রতিবেশী ভারত। সোমবার নয়া দিল্লি বলেছে, আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অবশ্যই ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার সকালে নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ভোরে অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করা হয়। রাজধানী নেপিডো ও প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় রাস্তায় টহল দিতে শুরু করে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এরপর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যুত্থানের খবর নিশ্চিত করে সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন টেলিভিশনে ঘোষণা করা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।
মিয়ানমারের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরিস্থিতি নিবিড় পর্যালোচনা করা হচ্ছে। মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, গভীর উদ্বেগের সঙ্গে আমরা মিয়ানমার পরিস্থিতিতে নজর রাখছি। দেশটির গণতান্ত্রিক রূপান্তরে সব সময় ভারতের সমর্থন ছিল।