মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান বিরোধী চলমান বিক্ষোভে দেশটির কয়েক হাজার সরকারি কর্মকর্তা যোগ দিয়েছেন। রাজধানী নেপিদোতে সর্বাত্মক ধর্মঘটে যোগ দেন তারা। গত বুধবার চিকিৎসকদের উদ্যোগে শুরু হওয়া স্বীকৃতি না, অংশগ্রহণ না শিরোনামে কর্মসূচি তাদের অংশগ্রহণে আরও গতি পেয়েছে। বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও এতে শামিল হয়েছেন। মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতি এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বিনিয়োগ, সমাজকল্যাণ ও অবকাঠামো মন্ত্রণালয় এবং বন ও রেলওয়ে বিভাগের কর্মীরা সোমবার ধর্মঘটে যোগ দেন।
বিনিয়োগ ও বিদেশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক মন্ত্রণালয়ের কর্মীরা এক বিবৃতিতে জানান, সামরিক শাসনের অধীনে কাজ করতে তারা আগ্রহী না। তাই তারা চলমান আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা ২০০৮ সালের সংবিধান সম্মত মৌলিক অধিকার রক্ষায় বিশ্বাসের কথা জানিয়েছে। এতে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দফতরের কর্মীদের ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সমাজকল্যাণ দফতরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেই আমরা কাজে ফিরবো।
নির্মাণ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী উপ-সচিব ফেসবুকে এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি সোমবার বিক্ষোভে যোগ দেবেন।
এছাড়া শিক্ষক, বন বিভাগ, সাধারণ প্রশাসনের কর্মী ও উর্দি পরা নার্সরা বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন।
চলমান অসহযোগ ও ধর্মঘটের সমর্থনে সোম ও মঙ্গলবার মিয়ানমারজুড়ে ব্যাপক মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। সামরিক শাসনের বিরোধিতার পাশাপাশি আটক বেসামরিক সরকারের নেতা, অ্যাক্টিভিস্টদের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।