গাম্বিরার অস্ট্রেলীয় স্ত্রী ম্যারি শিওচানা জানান, অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য তারা পাসপোর্টের আবেদন করেছিলেন। ম্যারি বলেন, জামিন না পাওয়ায় তাকে নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং নিয়মিত তাকে ওষুধ খেতে হয়। তার স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দরকার। আমি বুঝতে পারছি না তাকে কেন এখন গ্রেফতার করা হলো।
গাম্বিরার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে গাম্বিরার সমর্থকদের দাবি, এটা মায়ানমার সরকারের হয়রানি করার দীর্ঘদিনের ইতিহাসে সর্বশেষ সংযোজন।
২০০৮ সালে প্রতিবাদের নেতৃত্ব দেওয়ায় গাম্বিরাকে ৬৮ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হয়। পরে ২০১২ সালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির তিনি জানান, কারাগারে তাকে নির্যাতন ও মারধর করা হয়েছিল। বেশ কয়েকবার মায়ানমারে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি থাইল্যান্ড চলে যান।
/এএ/