কাজাখস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, আলমাতি শহরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার অভিযানে ১২ জনেরও বেশি সরকারবিরোধী ‘দাঙ্গাকারী’কে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীরা শহরটির একটি থানার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা পদক্ষেপ নেয়।
এর আগে বিক্ষোভের সময় নিহত হয় নিরাপত্তা বাহিনীর আট সদস্য। তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হয় এই বিক্ষোভ।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজাখ প্রেসিডেন্টের অনুরোধে সেনা পাঠাচ্ছে রাশিয়া। তাদের দেশটি স্থিতিশীল করতে মোতায়েন করা হবে। কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন (সিএসটিও) এর সদস্য হিসেবে এই সহায়তা পাচ্ছে কাজাখস্তান। এই সংস্থাটির অন্য সদস্য দেশগুলো হলো রাশিয়া, বেলারুশ, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং আর্মেনিয়া।
এলপিজির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত রবিবার বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে অন্য রাজনৈতিক উদ্বেগ যোগ হলে বিক্ষোভ আরও ব্যাপক আকার ধা্রণ করে।
বিক্ষোভের জন্য বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ‘সন্ত্রাসী চক্র’কে দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিনি জরুরি অবস্থা জারির পাশাপাশি রাত্রীকালীন কারফিউ এবং বড় জমায়েতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন।
হতাহত সত্ত্বেও কাজাখস্তানে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার আলমাতির মূল স্কয়ারে মিছিল করেছে শত শত বিক্ষোভকারী। তবে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য এবং সাঁজোয়া যান মোতায়েন ছিল।
সূত্র: বিবিসি