পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত একজন নিহত এবং আরও চারজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাওয়ালাকোট শহরের উপকণ্ঠে নিষিদ্ধ ঘোষিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) ডাকা টানা তৃতীয় দিনের পূর্ণ ধর্মঘট চলাকালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পাকিস্তান সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ খবর জানিয়েছে।
ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরে মিরপুর বিভাগের মিরপুর, ভিম্বার ও কোটলি জেলা এবং পুঞ্চ বিভাগের সুধনোতি ও পুঞ্চ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো বিক্ষোভকারী বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাওয়ালাকোটের পূর্ব উপকণ্ঠের ঈদগাহ ময়দানে জড়ো হন। এ ছাড়া শহরের দক্ষিণ ও উত্তর প্রান্তের আরও দুটি স্থানে ছোট ছোট বিক্ষোভকারী দল অবস্থান নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য উমর নাজির কাশ্মীরি ঈদগাহ ময়দানের সমাবেশে একটি অত্যন্ত উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে আজাদ কাশ্মীরজুড়ে প্রধান ইন্টারনেট সেবাদাতাদের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকলেও তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সহিংসতার নেপথ্যে কী
বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, নিহত ওই কর্মীর নাম সোহবান আরিফ (৩২)। তিনি সুধনতি জেলার গোরাহ গ্রামের বাসিন্দা।
পুঞ্চ ডিভিশনাল কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান জানান, ওই সমাবেশে উমর কাশ্মীরির উপস্থিতির কথা জানতে পেরে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যখন রাস্তা থেকে প্রতিবন্ধকতাগুলো সরাচ্ছিল, তখন বিক্ষোভকারীদের একটি দল তাদের মুখোমুখি হয়। পরবর্তীতে দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় এক বিক্ষোভকারী নিহত এবং চার থেকে পাঁচজন আহত হন।