বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ৫ আগস্টের একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই ভারত সরকারের। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই অবস্থান জানিয়েছেন।
নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, আপনি যে কথোপকথনের কথা বলছেন, সেটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম আয়োজন করছে। এতে ভারত সরকারের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। এমনকি ওই প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা কোনও বক্তব্যের প্রতিও সরকারের কোনও সমর্থন থাকবে না।
বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনা বা নিষিদ্ধ কোনও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান বা বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরির কার্যক্রম ঠেকাতে ভারতের সহযোগিতা চাওয়ার পরদিনই নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে এই মন্তব্য এলো। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর ভারতের কাছে এই সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
এদিকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ব্রিকস সম্মেলনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আলাদাভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে।
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অনুসরণ করা স্বাভাবিক নিয়ম ও চর্চা অনুযায়ী এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একইভাবে আঞ্চলিক অন্য সংস্থাগুলোর প্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।