নেপালে মুহূর্তের মধ্যে সেতু ও বাড়িঘর বিলীন

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে প্রবল আকস্মিক বন্যায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। বুধবারের এই পাহাড়ি ঢলে সেতু, সড়ক, একাধিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ও একের পর এক গ্রাম ভেসে গেছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলগুলোকে।

নেপাল পর্যটন বোর্ড ওই অঞ্চল থেকে নিখোঁজ ৩৮৪ জন ভ্রমণকারীর একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে, যার মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি ও ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। তালিকায় ১০৫ জন ভারতীয় এবং ৩৭ জন অনাবাসী ভারতীয় রয়েছেন, তবে তাদের অবস্থান এখনও যাচাই করা হচ্ছে।

সিসিটিভিতে ধারণ করা ভয়াবহ ভিডিওতে দেখা গেছে, ধাদিং জেলার মালেখুতে পানির তোড়ে একটি সেতু ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান ও গোরখাসহ ত্রিশূলী নদী অববাহিকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে এবং নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

সীমান্তের অপর পাড়ে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতের জিরোং কাউন্টিতে পাহাড় ধসের পর বড় ধরনের প্রাণহানি ও বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। চীনের জিরোং পোর্টে সড়ক, যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

বিবিসি ও রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে হওয়া তুষারধস ও বরফগলা পানি ভোটে কোশী নদীতে নেমে আসায় এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভোটে কোশী নদীটি তিব্বতে উৎপত্তি হয়ে নেপালে প্রবেশ করেছে এবং ভারতের গণ্ডক নদীর সঙ্গে মিশেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস