ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। চীন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সফর সামনে রেখে প্রায় ৩০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর জানিয়েছ।
সূত্র জানিয়েছে, পুতিন ১১ সেপ্টেম্বর ও শি ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে পৌঁছাতে পারেন। পালামের এয়ার ফোর্স স্টেশনে অবতরণের পর তারা চাণক্যপুরী এলাকার নির্ধারিত হোটেলে উঠবেন। দুই দেশের নিরাপত্তা দল ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট হোটেলে পৌঁছেছে।
শি জিনপিংয়ের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলকে। পুতিন যে হোটেলে থাকবেন সেখানে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার ও সহকারী কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের আলাদা শিফটে মোতায়েন করা হয়েছে। হোটেলের সব কর্মীরও যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
সম্মেলনের নিরাপত্তায় মোতায়েন প্রায় ৩০ হাজার সদস্যের মধ্যে প্রায় অর্ধেক দিল্লি পুলিশের এবং বাকিরা আধা-সামরিক বাহিনীর। বিমানবন্দর, হোটেল ও ভারত মণ্ডপম এলাকায় এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বিভিন্ন দেশের নেতাদের যাতায়াতের জন্য নির্ধারিত রুটে একাধিক মহড়া চালিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।
বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের জন্য নয়াদিল্লির আলাদা আলাদা হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান থাকবেন পৃথক একটি হোটেলে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো একই হোটেলে থাকবেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিআইপি অতিথিরাও একই হোটেলে থাকবেন।
আগামী শনিবার ও রবিবার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের ভারত মণ্ডপমে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তাদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে দিল্লির বিভিন্ন সড়কে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।