তুষার চিতা দেখতে লাদাখ, বিশ্বের চতুর্থ সেরা বন্যপ্রাণী অভিজ্ঞতা

বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের জন্য বিশ্বের সেরা অভিজ্ঞতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারতের লাদাখে তুষার চিতা খোঁজার সুযোগ। ট্রাভেল কোম্পানি বেইলি রবিনসনের প্রকাশিত ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপেরিয়েন্স ইনডেক্স-এ এই অভিজ্ঞতা চতুর্থ স্থান পেয়েছে। এর স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৮৫.৫।

লাদাখ ও হিমালয়ের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে তুষার চিতা। ধূসর-সাদা লোম ও কালো ছোপের কারণে বরফ ও পাথুরে পরিবেশে সহজেই নিজেকে আড়াল করতে পারে বিরল এই প্রাণী। শীতকালেই সাধারণত তাদের দেখা মেলে এবং দুর্গম আবাসস্থলের কারণে বন্য পরিবেশে তাদের জীবন সম্পর্কে এখনও খুব কমই জানা যায়।

বেইলি রবিনসনের সূচকে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩০টি বন্যপ্রাণী অভিজ্ঞতার তুলনা করা হয়েছে। প্রাণীর বিরলতা, অবস্থানের দুর্গমতা, সংরক্ষণে গুরুত্ব, অভিজ্ঞতার এক্সক্লুসিভিটি, যাতায়াতের সুবিধা এবং প্রাণী দেখার সম্ভাবনা; এই ছয়টি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

কনডে নাস্ট ট্রাভেলারকে বেইলি রবিনসনের বিক্রয় পরিচালক সারাহ পার্কার বলেন, বিরলতা ও দুর্গমতার সম্পর্কই তাদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে। বিশ্বের অসাধারণ বন্যপ্রাণী দেখার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে সাধারণত আরও দূরে, গভীর বন্য পরিবেশে যেতে হয় যেখানে খুব কম ভ্রমণকারীর যাওয়ার সুযোগ হয়।

তালিকায় প্রথম হয়েছে রুয়ান্ডা ও উগান্ডায় মাউন্টেন গরিলা ট্রেকিং। দ্বিতীয় অ্যান্টার্কটিকায় এমপেরর পেঙ্গুইন অভিযান এবং তৃতীয় কাজাখস্তানে সাইগা অ্যান্টিলোপ দেখা। লাদাখের তুষার চিতা ট্র্যাকিং চতুর্থ এবং ইন্দোনেশিয়ার জাভায় জাভান গণ্ডার দেখা পঞ্চম হয়েছে। তালিকায় ভারতীয় অঞ্চলের আরও দুটি অভিজ্ঞতাও রয়েছে। নেপাল, ভুটান বা ভারতে রেড পান্ডা ট্র্যাকিং ৭৮.৫ স্কোর নিয়ে ১৫তম এবং ভারত বা নেপালে একশৃঙ্গ গণ্ডার সাফারি ৭৪.৫ স্কোর নিয়ে ২১তম হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি