ভোটার তালিকা পরিবর্তন, যে নির্দেশ দিলো নির্বাচন কমিশন

ভোটার তালিকায় পরিবর্তন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ভোটার-তালিকা ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। শনিবার এ নির্দেশ দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়ার মতো পরিবর্তন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে তার দুই সহকর্মী প্রশ্ন করেছিলেন। এর পরই সফটওয়্যার পর্যালোচনার উদ্যোগ নিল কমিশন।

ভারতের বিরোধী দলগুলো অভিযোগ করে আসছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) সুবিধা দিতে ভোটার তালিকায় কারসাজি করা হয়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন বলেছে, প্রতিষ্ঠানের ভেতরে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক এবং তাদের সব কার্যক্রম আইন অনুযায়ী হয়েছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস চলতি সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে জানায়, গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার অন্তত ১৪ বার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে প্রশ্ন বা উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। এর বেশিরভাগই ছিল গত বছর শুরু হওয়া ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়া নিয়ে।

বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি যুব নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করেছে। শনিবারের মধ্যে তিনি পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

শনিবার নির্বাচন কমিশন জানায়, একজন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি সফটওয়্যারটি পর্যালোচনা করবে। কমিটিতে একজন স্বাধীন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞও থাকবেন। সফটওয়্যারটি নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা মেনে চলছে কিনা, তা যাচাই করবে কমিটি।

এ ছাড়া ভোটার তালিকায় অসঙ্গতি চিহ্নিত হলে সংশ্লিষ্ট ভোটারদের নিয়মিতভাবে সরকারি দপ্তরে হাজির হতে বলার পরিবর্তে স্থানীয় কর্মকর্তারা তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করবেন বলেও জানিয়েছে কমিশন।