‘৬ ঘণ্টা কর্মদিবসে বাড়ে উৎপাদন ক্ষমতা, সুখী হন কর্মীরা’


noname৮-১০ কর্মঘণ্টার পরিবর্তে তা যদি কমিয়ে আনা হয় তাহলে উৎপাদন বাড়ে ও যারা কাজ করেন তারা অনেক বেশি সুখী হন এবং বেড়ে যায় তাদের উৎপাদন ক্ষমতা। সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্টের এক খবরে বিষয়টি জানা গেছে।
সুইডেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর গুটেনবার্গের একটি অবসরযাপন কেন্দ্রে পরীক্ষামূলকভাবে কর্মঘণ্টা কমিয়ে ৬ ঘণ্টায় আনা হয়। এতে দেখা যায়, রোগীদের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে সেবিকাদের মানের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং কর্মচারীদের নৈতিকতা  বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর যেসব সেবিকা ৬ ঘণ্টা করে দিনে কাজ করেছেন তারা আগের তুলনায় অন্তত ২০ শতাংশ বেশি সুখী। কর্মক্ষেত্র ও অবসর সময়ে তাদের উদ্যম বেড়েছে আগের তুলনায়। এ সময় সেবিকাদের অসুস্থতার জন্য ছুটি নেওয়াও কমে যায়।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের জন্য হিন্দু সেনার পূজা, আশা মার্কিন-পাকিস্তান যুদ্ধ!

গবেষণাটির কাজে নিয়োজিত বেন্থ লরেন্টজন জানান, যদি সেবিকারা কর্মস্থলে বেশি সময় দেন এবং আরও সুস্থ থাকেন তাহলে বুঝতে হবে তাদের মানের উন্নতি হয়েছে।
গুটেনবার্গ শহরে গাড়ি নির্মাতা টয়োটা কোম্পানির শাখাতেও এক দশক কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছিল। গবেষণায় দেখা গেছে, টয়োটা কোম্পানির কর্মীরা আগের চেয়ে বেশি সুখী এবং কোম্পানির মুনাফাও বেড়েছে। এ সাফল্যে বেশ কিছু সুইডিশ কোম্পানিও পরীক্ষামূলকভাবে কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনে।

আরও পড়ুন: বাড়ি দখলে শতাধিক সাপের অভিযান!
যুক্তরাজ্যের ডেইলি টেলিগ্রাফের এক খবরে বলা হয়েছে, দেশটির দশ জন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার মধ্যে ছয়জন মনে করেন কর্মঘণ্টা কমিয়ে আনলে কর্মীদের উৎপাদনক্ষমতা বাড়বে।
স্বাস্থ্য সাময়িকী ল্যানচেট-এ প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনেও দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘ কর্মঘণ্টার কারণে হৃদরোগের মতো কঠিন অসুখের জন্ম হয়।
উল্লেখ্য, গত বছর (২০১৫) দিনে কর্মঘণ্টা কমিয়ে ৬ ঘণ্টা করে বিশ্বব্যাপী আলোচনায় এসেছিল সুইডেন। সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট।
/এএ/