ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কলিন্দা গ্র্যাবার কিটারোভিচ বলেছেন, তিনি সব দলের সুবিধামতোই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করতে চান। তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ রাজনীতিবিদই গ্রীষ্মের ছুটির পর নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
এর আগে এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমি সংসদের স্পিকার জেলিকো সাস্তারকে বলেছি একটি আলোচনার জন্য তারিখ ঠিক করতে। সব দলের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে যত শিগগির সম্ভব নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’
সেই আলোচনার ভিত্তিতেই এবার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করবেন প্রেসিডেন্ট। তবে এক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যকতা রয়েছে। সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। রবিবার ভোটে সংসদে ১৫ জুলাই থেকে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে সেপ্টেম্বরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নতুন নির্বাচনেরও পর দেশটির রাজনৈতিক সংকট সমাধান হবে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, প্রধান রক্ষণশীল এইচডিজেড পার্টি কিংবা প্রধান বিরোধী দল সোশ্যাল ডেমোক্রেটরা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে আবারও ঝুলন্ত সংসদ গঠিত হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিই সবচেয়ে কম। এছাড়া রয়েছে ঋণের বোঝা। আগামী বছর দেশটির অর্থনীতির জন্য বেশ কঠিন সময় হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স।
/ইউআর/এএ/