বেলারুশের ওপর ইইউ-এর আরও নিষেধাজ্ঞা চায় লিথুয়ানিয়া

রাশিয়ার মিত্র বেলারুশের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর আরও নিষেধাজ্ঞা চায় লিথুয়ানিয়া। সোমবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজ দেশের এমন অবস্থানের কথা জানিয়েছেন লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাব্রিলিয়াস ল্যান্ডসবার্গিস। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলারুশের ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা চায় লিথুয়ানিয়া। বিশেষ করে দেশটির বিরুদ্ধে তেল ও পটাশ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চায় লিথুয়ানিয়ান কর্তৃপক্ষ।

বেলারুশের সেনাসমাবেশের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গ্যাব্রিলিয়াস ল্যান্ডসবার্গিস।

এর আগে লিথুয়ানিয়ার প্রতিরক্ষা প্রধান ভালদেমারার রুপসিস জানিয়েছেন, ইউক্রেনে হামলা চালাতে রুশ বাহিনী প্রস্তুত। যেকোনও মুহূর্তে তারা হামলা চালাতে পারে। শুধু নির্দেশের অপেক্ষা।

তিনি আরও বলেন, সেনা প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিত নেই। কিন্তু ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, সীমান্তে সেনা উপস্থিতি ও সামরিক শক্তি বাড়ানো হচ্ছে। দূরে থাকা সেনা ইউনিটকে সীমান্তের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসা হচ্ছে।

এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে উত্তেজনার মধ্যেই সামরিক মহড়ার মেয়াদ বাড়িয়েছে রাশিয়া ও বেলারুশ। বেলারুশের ইউক্রেন সীমান্তে চলমান এই মহড়া রবিবার শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সেদিনই বেলারুশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মহড়ার মেয়াদ আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া ও বেলারুশের বাইরের সীমান্তের কাছে ক্রমবর্ধমান সামরিক পদক্ষেপ এবং ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় ডনবাস এলাকায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইউক্রেনের চারপাশে প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া। এর মধ্যে বেলারুশ-ইউক্রেন সীমান্তের মহড়ায় অংশ নেওয়া রুশ বাহিনীর ৩০ হাজার সদস্যও রয়েছে। ন্যাটো বলছে, ইউক্রেনে আক্রমণ করলে মস্কো এই সেনাদের কাজে লাগাতে পারে।