ইউক্রেন ছাড়ছে লাখ লাখ মানুষ

রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়েছেন ২৫ লাখের বেশি ইউক্রেনীয়। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত সংখ্যক শরণার্থী ইউরোপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। রবিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এর কমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি।

ইউক্রেনের রুশ অভিযানের ১৯তম দিনে গড়িয়েছে। গোলা আর বোমা বর্ষণের কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাড়ি জমাচ্ছে ইউক্রেনের নাগরিকরা। পালিয়ে আসাদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী নাগরিকদের দেশ না ছাড়তে একটি আইন জারি করে ইউক্রেন সরকার। রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্যই এমন পদক্ষেপ নেয় ভলোদিমির জেলেনস্কির সরকার।

দেশ ছেড়ে যাওয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী ঢুকেছে প্রতিবেশী পোল্যান্ডে। ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে, যুদ্ধ শুরু পর এ পর্যন্ত ১৬ লাখের বেশি ইউক্রেনীয় পোল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এই সংখ্যা সামনে আরও বৃদ্ধি পাবে।

পার্শ্ববর্তী দেশ হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়াতেও প্রবেশ করেছেন অনেকে। ২ লাখ ৪৫ হাজার হাঙ্গেরি আর স্লোভাকিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার শরণার্থী। এমন তথ্য শুক্রবার জানিয়েছে জাতিসংঘের এই সংস্থাটি।

আয়তনে ছোট হলেও ইউক্রেনের ৩ লাখ ২৮ হাজার শরণার্থীর জায়গা হয়েছে মলদোভায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মলদোভার পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী নিকু পোপেস্কু। আর রোমানিয়ায় ঢুকেছে ১ লাখ ৭৩ হাজার শরণার্থী। অন্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া, আয়ারল্যান্ডসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে অব্যাহত আছে ইউক্রেনের শরণার্থী প্রবেশ।

সূত্র: আল জাজিরা।