মে নাগাদ যুদ্ধ বন্ধের আশা ইউক্রেনের

ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযান আগামী মে নাগাদ বন্ধ হতে পারে। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে এমন মন্তব্য করেছেন ইউক্রেন সরকারের উপদেষ্টা অলেকসি অ্যারেস্টোভিচ। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির চিফ অব স্টাফের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অলেকসি অ্যারেস্টোভিচ। তার মতে, বিদ্যমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগামী মে মাসের গোড়ার দিকে ইউক্রেনে হামলার জন্য রুশ বাহিনীর সরঞ্জাম শেষ হয়ে যাবে। ফলে তখন যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অলেকসি অ্যারেস্টোভিচ বলেন, আমি মনে করি মে মাসের পরে নয়, বরং মাসটির গোড়ার দিকেই আমরা একটি শান্তিচুক্তি পাবো।

সম্ভাব্য আরও দুটি ফলাফলেরও রূপরেখা তুলে ধরেন ইউক্রেন সরকারের এই উপদেষ্টা। তার একটি হচ্ছে, আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে রাশিয়া। শিগগিরই উভয় পক্ষ একটি শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে সমর্থ হবে। আরেকটি হতে পারে, আরও কিছু সময় ধরে তারা ইউক্রেনে সিরিয়ান যোদ্ধাদের মতো যোদ্ধাদের ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তবে কিয়েভ যখন তাদেরও ‘পিষে ফেলবে’, তারপর এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে একটি চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে।

ইতোপূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের তরফেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য সিরীয় যোদ্ধাদের নিয়োগ করার চেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছিল।

এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনার জন্য আগামী সপ্তাহে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেখানে তিনি ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত মার্কিন ও বিদেশি বিদেশি সূত্রগুলো রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তিনটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, হোয়াইট হাউজের এ সংক্রান্ত পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করতে এখনও কাজ চলছে। শেষ পর্যন্ত এটি চূড়ান্ত রূপ পেলে আগামী ২৩ মার্চ ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন বাইডেন। তবে ইউক্রেন পরিস্থিতির আলোকে এই পরিকল্পনাও পরিবর্তন হতে পারে।