পুতিনের বন্ধুকে যে শর্তে মুক্তি দিতে চান জেলেনস্কি

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত ইউক্রেনের রাজনীতিক ভিক্টর মেদভেদচুককে মুক্তি দিতে চায় কিয়েভ। বুধবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে ভিক্টর মেদভেদচুকের মুক্তির বিনিময়ে রাশিয়ার বন্দিদশায় থাকা ইউক্রেনীয়দের মুক্তি চেয়েছেন তিনি। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

বুধবার সকালে এক ভিডিও বার্তায় ভিক্টর মেদভেদচুকের গ্রেফতারের কথা জানান জেলেনস্কি।  বন্দি বিনিময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়াকে তাদের এই লোকের বদলে দেশটিতে বন্দিদশায় থাকা আমাদের ছেলেমেয়েদের বিনিময় করার প্রস্তাব দিচ্ছি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সন্দেহভাজন একজন রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে কিয়েভে গৃহবন্দি ছিলেন ভিক্টর মেদভেদচুক। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই পালিয়ে যান ৬৭ বছরের এই রাজনীতিক।

অনলাইনে তার একটি ছবিও পোস্ট করেছেন জেলেনস্কি। এতে হ্যান্ডকাফ পরা বিক্ষিপ্ত চেহারার ভিক্টর মেদভেদচুককে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর উর্দি পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে। টেলিগ্রামে জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনী একটি বিশেষ অভিযান চালিয়েছে। সাবাশ!’

ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান ইভান বাকানভ বলেছেন, রুশপন্থী এই আইনপ্রণেতাকে আটকের জন্য একটি বহু স্তরবিশিষ্ট বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযান ছিল বিপজ্জনক। টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘কোনও বিশ্বাসঘাতক শাস্তি থেকে রেহাই পাবে না। ইউক্রেনের আইন অনুযায়ী, সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে।’