জার্মান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
বার্লিনের প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র মার্টিন স্টেল্টনার বলেন, পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনও আলামত পাওয়া যায়নি। ওই কিশোরী তার অভিযোগ তুলে নিয়েছে।
ওই কিশোরী জানান, যেদিনের ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, সেদিন আসলে তিনি একজন জার্মান পুরুষের সঙ্গে ছিলেন।
ওই কিশোরীর বয়স ১৩ বছর। তিনি বার্লিনের রুশভাষী সম্প্রদায়ের সদস্য।
শরণার্থীদের হাতে তার গণধর্ষিত হওয়ার খবর শিরোনাম হয় রাশিয়ার অনেক গণমাধ্যমে। সোশ্যাল মিডিয়ার রুশপন্থী অংশে চলে সমালোচনার ঝড়। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন অনেকে। এ ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠে জার্মানির রাজপথ। বিষয়টিকে পুঁজি করে শরণার্থীবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন রুশ-জার্মান সম্প্রদায় এবং দেশটির ডানপন্থী গ্রুপগুলো।
এমনকি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভও এ নিয়ে জার্মানির কঠোর সমালোচনা করেন।
গত মাসে ৩০ ঘন্টা ‘নিখোঁজ’ থাকার পর প্রকাশ্যে এসেই পুলিশের কাছে গণধর্ষণের গল্প তৈরি করেন ওই কিশোরী। অভিযোগ করেন, একটি ট্রেন স্টেশন থেকে তুলে নিয়ে তার ওপর যৌন সন্ত্রাস চালায় তিন শরণার্থী। তাদের মধ্যে দুজনের উচ্চারণভঙ্গি ছিল আরবি, অন্যজনের উচ্চারণভঙ্গি ছিল তুর্কি।
/এমপি/