রাশিয়ার পদাতিক বাহিনীর নতুন একটি আক্রমণ আশঙ্কা করছে ইউক্রেন। অবিরাম গোলাবর্ষণে ৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির পর তারা এই আশঙ্কা করছে। একই সময়ে রাশিয়া তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ বলেছেন, রাশিয়া ডনেস্ক প্রদেশ দখল এবং ইউক্রেনের শিল্প কেন্দ্র ডনবাসের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে। রুশ বাহিনীর সাম্প্রতিক গোলাবর্ষণ নতুন আক্রমণের প্রস্তুতি।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শনিবার থেকে রাশিয়া ৩৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে। পাঁচতলা একটি বেসামরিক ভবনে হামলায় ৩১ জন নিহত হয়েছে। বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছে।
মস্কো বেসামরিকদের নিশানা করার কথা অস্বীকার করে আসছে। কিন্তু ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি নগর, শহর ও গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের বৃহত্তম এই সামরিক সংঘাত পাঁচ মাসে গড়ানোর ফলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, খেরসনে রুশ নিয়ন্ত্রিত নোভা কাখোভকাতে ইউক্রেনীয় হামলায় ছয় জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি বিশেষ সামরিক অভিযান দাবি করে ইউক্রেনে রুশ বাহিনীকে আক্রমণের নির্দেশ দেন ভ্লাদিমির পুতিন। তাদের দাবি, প্রতিবেশী দেশটিকে বেসামরিকীকরণ ও বিপজ্জনক জাতীয়তাবাদীদের হাত থেকে মুক্ত করতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে ইউক্রেন ও পশ্চিমারা বলছে, এই আক্রমণ পুতিনের সাম্রাজ্যবাদী ভূমি দখল।