খাদ্যশস্য রফতানির বিষয়ে আলোচনা করতে রাশিয়া, তুরস্ক ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বুধবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কৃষ্ণ সাগরের ওডেসা বন্দর দিয়ে ইউক্রেনীয় খাদ্যশস্য রফতানি পুনরায় শুরু করার বিষয়ে আলোচনা করতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এখবর জানিয়েছে।
২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করছে তুরস্ক। যুদ্ধের ফলে বিশ্বে খাদ্যশস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার এই আলোচনার কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার।
মঙ্গলবার জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। কিন্তু এখনও অনেক পথ বাকি। অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে। আমরা চেষ্টা করছি।
বিশ্বের বৃহত্তম গম সরবরাহকারী দুটি দেশ হলো ইউক্রেন ও রাশিয়া। বিশ্বের অন্যতম বড় সারের সরবরাহকারীও রাশিয়া। আর ইউক্রেন ভুট্টা ও সূর্যমুখী তেলের সরবরাহকারী।
কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, যে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে তার মধ্যে রয়েছে মাইন পুঁতে রাখা পানি দিয়ে খাদ্যশস্যবাহী ইউক্রেনীয় জাহাজের চলাচল, জাতিসংঘের সমর্থনে তুরস্ক কর্তৃক জাহাজগুলো পরিদর্শন এবং সম্ভাব্য চুক্তিতে রাশিয়ার সম্মত হওয়া।
রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ইউক্রেনের খাদ্যশস্য রফতানির ক্ষেত্রে বিদেশি জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দিতে প্রস্তুত রয়েছে মস্কো। রাশিয়া চায় অস্ত্র চোরাচালান যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে। এজন্য জাহাজ নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শন প্রয়োজন।
আরেক বার্তা সংস্থা আরআইএ আরেকটি কূটনৈতিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রাশিয়ার দাবি হলো রফতানিতে বাধা অপসারণ। যা পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় সৃষ্টি হয়েছে।