ইইউ’র চাপে আরও অভিবাসীদের আশ্রয় দিচ্ছে গ্রিস

আরও অভিবাসী গ্রহণ করতে তুরস্কের নিকটবর্তী দ্বীপে চারটি নতুন অভ্যর্থনা কেন্দ্র খুলেছে গ্রিস। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাপে এ উদ্যোগ নিচ্ছে গ্রিস। মঙ্গলবার গ্রিসের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পানস কুমেনস নতুন এ চারটি কেন্দ্রের দুটি পরিদর্শন করেন। এসব কেন্দ্রকে হটস্পট হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। কুমেনস লেরস ও কিওস দ্বীপের কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। অপর দুটি কেন্দ্র লেসবস ও স্যামস দ্বীপে অবস্থিত।
গ্রিস জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্ক থেকে অভিবাসীদের আগমনের স্রোত কিছুটা কমেছে।
জাহাজের কন্টেইনারকে রূপান্তর ও অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে কয়েক হাজার অভিবাসীকে আশ্রয় দেবে গ্রিস। গ্রিসের অন্যত্র বা অন্য কোনও দেশে যাওয়ার আগে এখানেই অভিবাসীদের নিবন্ধন ও ফিঙ্গার প্রিন্ট রাখা হবে।
গত বছর প্রায় সাড়ে আট লাখ অভিবাসী গ্রিস দিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করেন। এদের বেশির ভাগই ছিলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান ছেড়ে আসা শরণার্থী।

অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্ডার স্টাফ সহযোগিতা করছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি অভিবাসীদের বোঝা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গ্রিস। গত সপ্তাহে ইইউ সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য গ্রিসকে তিন মাস সময় বেঁধে দেয়। ইইউ’র আশঙ্কা, এখন নিয়ন্ত্রণ না করলে অভিবাসীদের স্রোত বেড়ে যাবে।  ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ সিদ্ধান্তে ইইউভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে পাসপোর্ট ছাড়া ভ্রমণ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একের পর এ সুবিধা দেওয়া দেশগুলো নিজেদের সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে।

বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে অভিবাসী সংকট আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি।

/এএ/