আকাশসীমার সুরক্ষার জন্য জার্মান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ন্যাটোভুক্ত দুই দেশ এস্তোনিয়া এবং লাটভিয়া। দেশদুটি এ ঘটনাকে বাল্টিক প্রতিবেশীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি বলে অ্যাখ্যা দিয়েছে। এস্তোনিয়ান এবং লাটভিয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার এসব জানিয়েছে।
অস্থায়ী চুক্তি অনুসারে, জার্মান অস্ত্র নির্মাতা ডিহেল ডিফেন্সের মাঝারি-পাল্লার আইআরআইএস-টি এসএলএম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ শুরু হবে আগামী বছরে। আর এগুলো চালু হতে পারে ২০২৫ সালে।
সরবরাহকারীর সঙ্গে আলোচনা এখনও চলায় চুক্তির মূল্য এবং সিস্টেমের সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এস্তোনিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী হ্যানো পেভকুর চুক্তিটিকে ‘প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য ঐতিহাসিক যৌথ প্রকল্প’ বলে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আলোচনা সফল হয়েছে। আমরা (এস্তোনিয়া এবং লাটভিয়া) চুক্তিতে পৌঁছাবো বলে আশা করি। এই গ্রীষ্মে আনুষ্ঠানিক বিজয়ী দরদাতার নাম ঘোষণা করব’।
ট্রাক-মাউন্টেড লঞ্চার, ক্ষেপণাস্ত্র এবং একটি কমান্ড যান সমন্বিত জার্মান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এগুলো হামলা থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি বিমান ও হেলিকপ্টারকে ভূপাতিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। মনুষ্যবিহীন আকাশযান, ক্রুজ মিসাইলের হুমকি থেকেও নিরাপত্তা দেবে এই ব্যবস্থা।
লাটভিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইনারা মুরনিস বলেন, ‘যৌথভাবে নির্বাচিত মাঝারি-পাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লাটভিয়া এবং এস্তোনিয়ার আকাশকে আরও সুরক্ষিত করবে। আমাদের জনগণের পাশাপাশি বেসামরিক ও সামরিক অবকাঠামোর জন্য সম্ভাব্য সুরক্ষা প্রদান করবে এগুলো’।
ইউক্রেনে আইআরআইএস-টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করেছে জার্মানি। বলা হচ্ছে, গত বছরের শেষের দিক থেকে রাশিয়ান লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা সফলভাবে ব্যবহার করেছে কিয়েভ।
সূত্র: এপি