যুদ্ধ ও সহিংসতা কবলিত মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ থেকে ইউরোপের গ্রিসে শরণার্থীদের ঢল নেমেছে বেশ কিছুদিন ধরেই। শরণার্থী ও অভিবাসন প্রত্যাশীদের ইউরোপে প্রবেশ ঠেকাতে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। তবে থেমে নেই শরণার্থীদের আগমন। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের ক্ষেত্রে শরণার্থীরা প্রথমে গ্রিসেই পাড়ি জমাচ্ছেন। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে পড়া গ্রিসে তাই শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীদের চাপ বেশি। শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দেশটিকে। এ পরিস্থিতিতে দেশটির অ্যাথেন্সের একটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দরকে শরণার্থীদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এনবিসি নিউজ বিমানবন্দরটিতে শরণার্থীদের জীবনযাপনের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোতে দেখা যায় কিভাবে শরণার্থীরা বাস করছেন।
১. একটি শিশুর হাত ধরে অ্যাথেন্সের পুরনো বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে আছেন এক ব্যক্তি। বিমানবন্দরটি শরণার্থী ও অভিবাসন-প্রত্যাশীদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
২. বিমানবন্দরের বেলকনিতে কাপড় শুকানো হচ্ছে এবং শরণার্থীরা দাঁড়িয়ে আছেন।
৩. বিমানবন্দরের ভেতরে বিশ্রাম নিচ্ছেন শরণার্থীরা।
৪. বিমানবন্দরের বাইরে খেলছে শিশুরা।
৫. অব্যবহৃত বিমানবন্দরে ঘুমিয়ে আছেন এক অভিবাসী নারী। জেগে থাকা শিশু খেলছে।
৬. বিমানবন্দরের ভেতরে বেলুন নিয়ে খেলছে একটি শিশু।
৭.বিমানবন্দরের বাইরে মাঠেই ঘুমিয়ে আছেন এক বৃদ্ধা।
৮. বিমানবন্দরের বাইরে খেলাধুলায় ব্যস্ত শিশুরা।
৯. বিমানবন্দর ছেড়ে স্থানীয় রেল স্টেশনে যাচ্ছেন কয়েকজন শরণার্থী।
১০. বিমানবন্দর ছেড়ে যাচ্ছেন আরেক দল শরণার্থী।
১১. বিমানবন্দরের পাশের সড়কে অবস্থান করে কয়েকজন শরণার্থীদের প্রতিবাদ।
১২. সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সুযোগ পেয়ে বিমান ছাড়ছেন কয়েকশ শরণার্থী।
১৩. বিমানবন্দর ছেড়ে গালে হাত দিয়ে চিন্তিত এক শরণার্থী হাঁটছেন হাইওয়েতে।
১৪. বিমানবন্দরের ভেতরে বিশ্রামরত আরেকদল শরণার্থী।
১৫. ইরাক থেকে আসা দুই শরণার্থী বিমানবন্দরের পার্কিং এলাকার বাইরে বসে আছেন।
১৬. ইরাক থেকে আসা এক বৃদ্ধা ধূমপান করছেন বিমানবন্দরের বাইরে।
১৭. বিমানবন্দরের অব্যবহৃত লিমুজিন স্টপেজ-এ বসে আছেন দুই তরুণ।
সূত্র: এনবিসি নিউজ।
/এএ/