জার্মানির রাজধানী বার্লিনের রাস্তায় যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। রবিবার রুশ আগ্রাসনের বিরোধিতা করে অনেক বিক্ষোভকারী ইউক্রেনের পতাকা ওড়ায়। বিক্ষোভে যোগ দেয় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ সব ধরনের মানুষ।
স্নায়ুযুদ্ধের আমলে বিভক্ত জার্মানির স্মারক ব্রান্ডেনবার্গ গেটেরকাছে সমবেত বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকেই হুইলচেয়ারে করে হাজির হন। বার্লিনের রাস্তায় হুইলচেয়ার টেনে নিয়ে যায় অল্পবয়সীরা। গান আর স্লোগানে যুদ্ধবিরোধী আওয়াজ তোলেন বিক্ষোভকারীরা।
পোস্টার আর ব্যানারে লেখা স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘পুতিন থামো’, ‘যুদ্ধ থামাও’, ‘রুশ সেনা ঘরে ফিরে যাও’ এবং ‘ইউক্রেনের প্রতি সংহতি’। বিক্ষোভকারী হেলেনি ক্রাস বলেন, ‘সবকিছুর ওপরে, ইউক্রেনীয়দের দেখানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, আমরা তাদের ভুলে যাবো না, দুই সপ্তাহেও না, তারপরেও না।’ ‘একবছর পরেও অন্য কোনও রবিবারে যদি আমরা রাস্তায় নেমে আসি, তাহলে সেটাও ঠিক হবে’, বলেন তিনি।
কোনও কোনও বিক্ষোভকারী ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোকেও সমর্থন করেন। রুশ আগ্রাসনের পর জার্মানি স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী ট্যাবু ভেঙে সংঘাত কবলিত এলাকায় অস্ত্র পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে দেশটি ইউক্রেনে ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করছে।
আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নিষেধাজ্ঞা চালু করা যেতে পারে আর সেটা গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু যুদ্ধের সময় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীকে সহায়তা করতে পারে এমন কিছুও বিবেচনা করা যেতে পারে, আর দুঃখজনকভাবে সেটা হলো অস্ত্র।’
পুলিশ বলছে রবিবারের বিক্ষোভে ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ যোগ দেয়।
সূত্র: রয়টার্স