বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পুরনো নিয়ম অনুযায়ী এতদিন শুধু ছাত্রী বা নারী শিক্ষক-কর্মীরাই যৌন হয়রানির অভিযোগ জানাতে পারতেন। কয়েক বছর আগে দিল্লির একটি কলেজের দুই ছাত্র তাদের এক শিক্ষিকার দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার পরেই নিয়ম বদলের সিদ্ধান্ত নেয়।
শুধু নারী বা পুরুষ নয়, তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরাও যেন যৌন হয়রানির শিকার না হন, সে ব্যাপারেও কঠোর হতে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
যৌন হয়রানি রোধে আরও কিছু নতুন নিয়ম চালু করার কথা বলা হয়েছে একই নির্দেশিকায়। এখন থেকে শুধু যৌন হয়রানির শিকার হওয়া ব্যক্তিই নয়, ৯০ দিনের মধ্যে অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন তার অভিভাবকরাও।
এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নারী আন্দোলনের নেত্রী অধ্যাপিকা শাশ্বতী ঘোষ বিবিসিকে বলেন, ‘ছেলেদেরও যে যৌন হয়রানি থেকে রক্ষা করার উদ্যোগ ইউজিসি নিয়েছে, সেটা ভাল কথা। কিন্তু বাস্তবতা হলো ছাত্রীরাই বেশি যৌন হয়রানির শিকার হন। বিশেষত গবেষণার সময়ে অনেক পুরুষ অধ্যাপকই এধরণের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাই ছাত্রীদের বা নারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগগুলোর দিকে যেন বেশি নজর দেওয়া হয়।’
যৌন হয়রানি রোধে যে অভ্যন্তরীণ কমিটি তৈরি করার নিয়ম রয়েছে ভারতের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে, সেগুলোকে আরও সচল করার কথাও বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। নতুন নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে। বরাদ্দ করা অর্থও বাতিল করা হতে পারে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।
আরও পড়ুন:
- এবার ইজিপ্ট এয়ারের বিমানে বোমাতঙ্ক, উজবেকিস্তানে জরুরি অবতরণ
- পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পেদ্রো কুচনস্কি শিবিরের জয় দাবি
- সীমান্ত অঞ্চল থেকে শহরের দিকে ছুটছে মানুষ
/এএ/