সিগাল প্রকাশনার প্রকাশক নবীন কিশোর বলেন, এই প্রতিভাধর শিল্পীর ছবি নিয়ে অন্তত ৪০টি বই প্রকাশ করেছে সিগাল। এছাড়াও সিগাল ফাউন্ডেশন ফর দ্য আর্টসের পক্ষ থেকে ভারতের বিভিন্ন নগরে তার আঁকা ছবির প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হতো।
শুধু চিত্রকর্মই নয়, মৃৎশিল্পেও আগ্রহ ছিল প্রয়াত এই শিল্পীর। টেরাকোটা শিল্প ও খেলনা তৈরিতেও অসামান্য প্রতিভার ছাপ রেখেছেন তিনি।
সুব্রামানিয়ামের জন্ম কেরালায়। যৌবনে তিনি সামাজিক ও গান্ধীবাদী আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ব্রিটিশ শাসনামলে ভারত ছাড় আন্দোলনেও যোগ দিয়েছিলেন এই শিল্পী।
সুব্রামানিয়াম ছিলেন শান্তিনিকেতনের কলাভবনের শিক্ষার্থী। তিনি ১৯৪০ এর দশকে বিনোদ বিহারী মুখার্জি, রামকিঙ্কর বেইজ, নন্দলাল বসু প্রমুখের সমসাময়িক শিক্ষার্থী হিসেবে শান্তিনিকেতনে প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ নিয়েছেন।
শিল্পী হিসেবে প্রায় ছয় দশক ধরে চিত্রকর, ভাস্কর, ম্যুরালিস্ট ও প্রিন্ট মেকার হিসেবে কাজ করে গেছেন সুব্রামানিয়াম। তিনি ২০১২ সালে পদ্ম বিভূষণ, ২০০৬ সালে পদ্মভূষণ ও ১৯৭৪ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন। সূত্র- এনডিটিভি।
/ইউআর/এএ/