ফেসবুকে আনসারুল খলিফার পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, দেখা মাত্রই তসলিমা নাসরিনকে হত্যা করা হবে। সঙ্গে লেখিকার ছবি এবং তার ‘ইসলাম বিরোধী’ মন্তব্যও পোস্ট করে সংগঠনটি। আনসারুল খলিফা নিজেদের আইএসের অংশ বলে দাবি করে।
নতুন এ হুমকির পর ফেসবুকে তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, ‘২৩ বছর ধরে চলছে। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি। কী করে যে বেঁচে আছি আজো! এই হুমকিটা ভয়ঙ্কর। সিরিয়া থেকে ট্রেনিং নিয়ে আসা ভারতীয় আইসিসগুলো কি চুপচাপ বসে থাকবে? এইতো অ্যাকশানে যাচ্ছে এভাবে...’
পুলিশ জানিয়েছে, হুমকির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ফেসবুক পেজটি সক্রিয় থাকলেও দুপুরের পর থেকে তা আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। সন্দেহভাজন আইএস সমর্থকদের কয়েকটি অ্যাকাউন্টও ফেসবুক থেকে উধাও হয়ে গেছে। পুলিশের মতে, এসব ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ভুয়া নামে তৈরি। অ্যাকাউন্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, তারা সিরিয়া ও আফগানিস্তানে বসবাস করছেন।
পুলিশ আরও জানায়, কেরালার কয়েকজন তরুণ অনলাইনে আইএসের হয়ে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। আইএসের সঙ্গে তাদের হয়ত সরাসরি কোনও সম্পর্ক নাই। আইএসের মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে তারা এ কাজ করছে।
পুলিশের তথ্য মতে, কেরালার অন্তত চার ব্যক্তি সিরিয়ায় গিয়ে আইএসে যোগ দিয়েছেন। তারা সেখানে ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।
১৯৯৪ সালে মৌলবাদীদের হুমকির মুখে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তসলিমা নাসরিন। এর পর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে অবস্থান করেন। বর্তমানে তিনি ভারতে রয়েছেন। দেশ ছাড়লেও গত ২৩ বছর ধরেই বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে তাকে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এএ/