ফতোয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে দেওবন্দের মুখপাত্র আশরাফ উসমানি জানান, নামাজ আদায় করার জন্য ওজু ও গোসল আবশ্যক। তিনি বলেন, কিন্তু পরচুলা পরলে মাথার খুলিতে পানি প্রবেশ করতে পারে না। এতে ওজু ও গোসলের উদ্দেশ্য সাধন হয় না। শরীর অপবিত্র থাকে।
উসমানি বলেন, যদি পরচুলা পরা আবশ্যক হয় তাহলে ওজু ও গোসলের সময় খুলে ফেলতে হবে। পরে নামাজের সময় আবার পরা যেতে পারে।
অবশ্য চুল প্রতিস্থাপিত চুলের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা নাই বলে জানান উসমানি। তিনি বলেন, কারণ তা প্রাকৃতিক চুলের মতোই এবং মাথার খুলিতে সহজে পানি প্রবেশ করতে পারে।
দেওবন্দ সূত্র মতে, জীবনযাপনের রীতিনীত পরিবর্তনের ফলে ধার্মিক মানুষেরা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। ফলে তারা দেওবন্দের পরামর্শ চান।
উসমানি বলেন, আমরা বেশ কয়েকটি চিঠি পাওয়ার পর সমাধানের জন্য ইসলামি চিন্তাবিদেরা আলোচনায় বসেন। সব চিন্তাবিদ একমত হওয়ার পরই ফতোয়া জারি করা হয়। অবশ্যই সে ফতোয়া কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা অনুসারে জারি করা হয়। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
/এএ/