ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন আজ

নরেন্দ্র মোদিবিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন আজ শনিবার। ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাটের মেহসানা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আজ তিনি জীবনের ৬৬ বছর পূর্ণ করে ৬৭-তে পদার্পণ করবেন। এবার জন্মদিন উপলক্ষে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন তিনি। জন্মদিনের আয়োজন দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মোদি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম জন্মদিন অনেকটা নীরবেই পালন করেছিলেন। গত বছর প্রথম জন্মদিনে নিজ রাজ্য গুজরাটে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ওই সময় জানিয়েছিলেন, জন্মদিনে কোনও আড়ম্বর চান না তিনি।  তবে এবার ঘোষণা দিয়েছেন জন্মদিন উপলক্ষে ১১ হাজার প্রতিবন্ধীর হাতে বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেবেন। যা বিশ্বরেকর্ড গড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া এ বছর থেকে মোদিন জন্মদিনকে সেবা দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

শনিবার জন্মদিনে নিজ রাজ্য গুজরাট যাচ্ছেন মোদি। সেখানে তিনি সময় কাটাবেন প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে। সেখানে তিনি ১১ হাজার প্রতিবন্ধীর হাতে বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেবেন। পাশাপাশি ১ হাজার প্রতিবন্ধীকে দেওয়া হবে কানে শোনার যন্ত্র এবং ১ হাজার প্রতিবন্ধী হুইলচেয়ারে বসে নকশার সৃষ্টি করবেন। এর আগে আমেরিকায় একসঙ্গে ৩৪৬ জন হুইলচেয়ারে বসেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় একসঙ্গে ৫০০ জনকে কানে শোনার যন্ত্র দেওয়া হয়েছিল।

মোদির জন্মদিনের কেক

এছাড়া গুজরাটে মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে ১ হাজার জন তেলের বাতি জ্বালাবেন। এক সঙ্গে তেলের বাতি জ্বালানোর এমন প্রস্তুতিও প্রথম। অনুষ্ঠানে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

মোদির জন্মদিন এ বার থেকে ‘সেবা দিবস ’ হিসেবে পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ। মোদির জন্মদিনে দলীয় কর্মীদের বিভিন্ন সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

গুজরাট সরকার জানিয়েছে, সব কিছুকেই বড় করে দেখতে ভালবাসেন মোদি। তাই তার জন্মদিনকেও বড় করে পালন করার ব্যবস্থা করছেন তারা। সুরাট , বলসাড় , নওসারিসহ দক্ষিণ গুজরাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসবেন প্রতিবন্ধীরা। যাদের হাতে বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য খরচ হবে প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। পুরো আয়োজন করছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সামাজিকন্যায়মন্ত্রী থেবরচাঁদ গেহলোট।

ঢাকা সফরে মোদি

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর গত বছর ৬ জুন ঢাকা সফরে আসেন নরেন্দ্র মোদি। তার বাংলাদেশ সফর ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভারতের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে তা ছিল খুবই জরুরি। বাংলাদেশের জনগণ যেমন ওই সফরে নরেন্দ্র মোদিকে অভ্যর্থনা জানিয়েছে, তেমনি তিনি ওই ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছে। মোদির সফরকালে স্থল সীমান্ত চুক্তির (এলবিএ) অনুসমর্থনের দলিল হস্তান্তরসহ ২২টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও সম্মতিপত্র সই হয়।  সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

/এসএ/এএ/