এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তিন কৃষি আইনের বিরোধিতায় সরব ভারতীয় কৃষকদের একাংশ। তাদের সমর্থন করেছে বিরোধীরাও। এককাট্টা হয়ে পার্লামেন্ট অধিবেশনে সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি, এসপি-সহ বিরোধী দলগুলো। এবার এ ইস্যুতে উল্টো বিরোধীদের একহাত নিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কৃষি আইনের বিরোধিতাকে রাজনৈতিক ধোকাবাজি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মোদি বলেন, ‘যারা কৃষি আইনের বিরোধিতায় সরব তাদের দিকে তাকালেই অসততার ছবি পরিষ্কার হয়ে যাবে। এটা রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি।’
তিনি বলেন, এরা সেসব ব্যক্তি, যারা নিজেদের নির্বাচনি ইস্তাহারে লিখেছে, ক্ষমতায় এলে বিজেপির করা পরিবর্তনই কার্যকর করবে।
নরেন্দ্র মোদির অভিযোগ, মানুষের ইচ্ছায় ক্ষমতায় রয়েছে একটা সরকার। এটা বিরোধীরা সহ্য করতে পারছে না। সেজন্য এখন ইউটার্ন নিয়েছে তারা। যে পরিবর্তন হয়তো তারা করতো, এখন বিজেপি সেটি কার্যকর করায় বিরোধিতা নেমেছে। কৃষকদের সুবিধার কথা না ভেবে তারা রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ব্যস্ত।
কৃষকদের উন্নতি সাধনে কেন্দ্রীয় সরকার যে বদ্ধপরিকর তা-ও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ছোট কৃষকদের স্বশক্তিকরণে সরকার সর্বোতভাবে কাজ করবে। সেজন্য সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চায়। বহু বৈঠক হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কোনও অসুবিধার কথা কেউ জানাতে পারেনি।’
২০২০ সালের নভেম্বর থেকে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সরব পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানার কৃষকদের একাংশ। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, ‘ভারতের মতো বড় দেশে শতভাগ মানুষের মন রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। তার মানে এই নয় যে তারা ভুল। তাদের সিদ্ধান্তও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সরকার সবসময় বৃহত্তর অংশের কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নেয়।’ সূত্র: জি নিউজ।