পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা খাতে আসছে বিপুল বিনিয়োগ

বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শুধু শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে সাফল্য এনে দিয়েছে তা নয়। শিক্ষাক্ষেত্রেও বিপুল সাফল্য বয়ে এনেছে। সম্মেলনের প্রথম দিনেই রাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয় বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর। ইংল্যান্ডের ইউসিএল, লিডস বিশ্ববিদ্যালয় ও পোল্যান্ডের ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা গাঁটছড়া বাঁধেন কলকাতার সঙ্গে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায় তিনটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্বাক্ষর করে পাঁচটি মউ। যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, সহ-উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পোল্যান্ড, ইংল্যান্ড ছাড়াও ভিন রাজ্যের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণা ও ছাত্র বিনিময় নিয়ে চুক্তি করে যাদবপুর।

এদিকে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় গাঁটছড়া বাঁধল রাশিয়ার একটি সংস্থার সঙ্গে। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় এমওইউ চুক্তি করে ‘অ্যাটমিক মিনারেলস ডাইরক্টরেট ফর এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড রিসার্চ’-এর সঙ্গে। অ্যাডামাস, সিকম, সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করেছে।

সিস্টার নিবেদিতা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা নেতাজি সুভাষের নামে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় গড়বে। চিকিৎসা গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালও হবে। দার্জিলিংয়ে হবে নতুন স্কিল বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়া আরও কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রাজ্যে বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার আরও চারটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের এমওইউ স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।