পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী গ্রামীণ স্কুলশিক্ষক থেকে রাজনীতিক হওয়া পেদ্রো কাস্তিলিওকে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট গ্রহণের একমাসের বেশি সময়ের এই ফল ঘোষণা করা হয়। দেশটির ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভোট গণনা। মঙ্গলবার মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এখবর জানিয়েছে।
গত ৬ জুন পেরুতে দ্বিতীয় দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করেন কাস্তিলিওর নির্বাচনি প্রতিপক্ষ ডানপন্থী কিকো ফুজিমোরি। অবশেষে ভোট বিশ্লেষণ করে সোমবার রাতে ফলাফল ঘোষণা করে দেশটির ন্যাশনাল ইলেকশনস জুরি (জেএনই)। তার অপরিচিত থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার ঘটনায় পেরুতে বিভক্তি আরও জোরদার হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
৫১ বছর বয়সী কাস্তিলিও সাবেক স্কুল শিক্ষক ও ইউনিয়ন নেতা ছিলেন। নির্বাচনে তিনি জয়ের জন্য ৫০ ভাগ ভোট নিশ্চিত করেন।
পেরুর বর্তমান প্রেসিডেন্ট এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন। আগামী ২৮ জুলাই শপথ নেবেন কাস্তিলিও।
ইলেকশন জুরি ফলাফল ঘোষণার পর রাজধানী লিমায় বক্তব্য রাখেন কাস্তিলিও। তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রের বাইরে যেকোনও কিছুকে প্রত্যাখ্যান করব। পুরো দেশকে একত্রিত করতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি।
রাজনীতিতে কাস্তিলিও নতুন মুখ। কাস্তিলিও জনপ্রিয় নির্বাচনি স্লোগান ছিল, ধনী দেশে কোনও গরিব না। তার সমর্থকরা পেরুর দরিদ্র এবং গ্রামীণ নাগরিক। পেরু লিব্রে পার্টির হয়ে জয়ী হলেন তিনি।
ইতিহাসবিদরা বলছেন, তিনিই প্রথম কৃষক যিনি পেরুর প্রেসিডেন্ট হলেন।