রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে আরও লক্ষাধিক সেনা নিয়োগের আদেশ পুতিনের

রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে আরও ১ লাখ ৩৩ হাজার সেনা সদস্য নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সোমবার ( ৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ক্রেমলিনের একটি ডিক্রিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।  ডিক্রিতে বলা হয়, ১ অক্টোবর থেকে সেনা নিয়োগ শুরু হয়ে বছরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত চলবে৷ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

রাশিয়ার সরকারি পত্রিকা রোসিসকায়া গাজেটাতে প্রকাশিত ওই ডিক্রিতে বলা হয়েছে, ‘ফেডারেল আইন অনুসারে, ইতোমধ্যেই রিজার্ভ সেনা সদস্য নয় এমন ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের নিয়োগ দেওয়া হবে…মোট নিয়োগ হবে ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ।’

রাশিয়ার কনক্রিপশন অফিসের প্রধান ভাইস-অ্যাডমিরাল ভ্লাদিমির সিমলিয়ানস্কি বলেছেন , নিয়োগের শর্তাবলী একই: রাশিয়ায় সামরিক ইউনিটে ১২ মাসের পরিষেবা প্রদান।

রোসিসকায়া গেজেটায় সিমলিয়ানস্কিকে উদ্ধৃত করে লিখা হয়, ‘আমি লক্ষ্য রাখব যাতে নতুন অঞ্চলে বিশেষ সামরিক অভিযানে অংশ নিতে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ডাকা না হয়।’

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা চালায় রাশিয়া। এই যুদ্ধকে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ বলে অভিহিত করেন পুতিন।

কিয়েভ ও তার মিত্ররা এটিকে ভূমি দখলের একটি অপ্রীতিকর, সাম্রাজ্যবাদী প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন। দেশটির এহেন পদক্ষেপের নিন্দা করেছিল অধিকাংশ পশ্চিমা রাষ্ট্র।

রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তে ক্রমবর্ধমান হুমকির কথা উল্লেখ করে সেপ্টেম্বরে রুশ সেনাবাহিনীতে ১ লাখ ৮০ হাজার সেনা বাড়িয়ে ১৫ লাখ সক্রিয় সৈন্যে পরিণত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা একে চীনের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ‍মিলিটারির দেশ করে তুলবে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও অন্যান্য ন্যাটো নেতারা এই সংঘাতে একমাত্র আগ্রাসী হওয়ার জন্য পুতিনকে দায়ী করেছেন।