রবিবার তুরস্কের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনালি ইলদিরিম নিশ্চিত হওয়ার পর এ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে এক লেখায় এরদোয়ান এ কথা বলেন। তুরস্কে বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ শরণার্থী বসবাস করছেন। ব্রিটেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, সিরিয়া থেকে অধিক সংখ্যক শরণার্থী গ্রহণের ফলে ইউরোপ হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ লেখার মাধ্যমে ব্রিটিশ নাগরিকদের মনযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আশা করেন, ব্রিটেনের মতো পশ্চিমা দেশগুলো সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের আরও বেশি করে আশ্রয় দেবে।
এরদোয়ান লিখেছেন, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ যখন ৬ষ্ঠ বছরে প্রবেশ করছে, আমরা (তুরস্ক) বিশ্বকে ক্রমবর্ধমান শরণার্থীদের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এরদোয়ান আরও লিখেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ ও তুরস্ককে আইনি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। যেমন মার্চ মাসের চুক্তির মতো। যে চুক্তিতে সিরিয়ার শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারে একমতের বিষয়টি ছিল।
তবে নিজের লেখায় এরদোয়ান উল্লেখ করেননি, তুরস্ক ঠিক কত সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য ইউরোপকে আহ্বান জানাচ্ছেন। গার্ডিয়ানকে দেওয়া পৃথক একটি সাক্ষাৎকারে তুরস্কের এক কূটনীতিক বলেছেন, তারা আশা করছেন অন্তত ৫ লাখ সিরিয়ান শরণার্থীকে যেন ইউরোপ আশ্রয় দেয়।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে প্রায় ২৭ লাখ শরণার্থী সীমান্ত অতিক্রম করে তুরস্কে প্রবেশে করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শরণার্থী তুরস্কেই অবস্থান করছেন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
আরও পড়ুন:
- কাশ্মিরে দুই দফায় গুলি, তিন পুলিশ নিহত
- একশ চোরের কীর্তি: দুই ঘণ্টায় জাপানের এটিএম থেকে দেড় বিলিয়ন ইয়েন চুরি
- আকাশে উড়ল ভারতের প্রথম পুনর্ব্যবহারযোগ্য মহাকাশযান
/এএ/