লেবাননে হিজবুল্লাহর স্থাপনায় হামলার দাবি ইসরায়েলের

লেবাননের ভূখণ্ডের আরও ভেতরে হিজবুল্লাহর একটি স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে রাজধানী বৈরুত থেকে প্রায় ৭৯ কিলোমিটার (৪৯ মাইল) দূরে অবস্থিত জান্তার কেন্দ্রীয় গ্রামের কাছে এই হামলা করা হয়। বুধবার একটি টেলিগ্রামের পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই খবর জানিয়েছে।

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে নিয়মিত গুলিবিনিময় করছে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল। উভয়পক্ষের মধ্যকার সর্বশেষ এই হামলায় লেবাননের ভূখণ্ডের স্বাভাবিকের চেয়ে আরও ভেতরে হামলা করেছে দেশটি। এর আগে, ইসরায়েলের করা অধিকাংশ হামলাই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

টেলিগ্রামের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বারচি শহরে হিজবুল্লাহর একটি বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় এবং কফরকিলা এলাকায় একটি অস্ত্রের গুদামে হামলা করা হয়েছে।

ইসরায়েলি গোলাবারুদ, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র বেক্কা উপত্যকার ইয়ারুন, হাদ্দাথা, হুলা, তুলিন ও নবিশায়েত এলাকায়ও আঘাত হেনেছে।

সিরিয়া ও ইসরায়েল অধিকৃত গোলান হাইটসে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার গোলাগুলির একদিন পর এই হামলা করলো ইসরায়েল।

সিরিয়ার একজন যুদ্ধ পর্যবেক্ষক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সিরিয়া-লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর একটি গাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করে প্রথমে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে দুই হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হিজবুল্লাহর এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছে, নিহতদের একজন গোষ্ঠীটির নেতা হাসান নাসরাল্লাহর সাবেক বডিগার্ড ছিলেন। পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ জানায়, ওই ব্যক্তির নাম ইয়াসের নিমর কার্নাবশ।

এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গোলান হাইটসে ইসরায়েলি সেনা ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। এতে দুই জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। ইসরায়েলি উদ্ধারকর্মীরা জানান, নিহতরা বেসামরিক ছিলেন