গাজা নির্বাহী বোর্ড গঠনের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তা ইসরায়েলের সঙ্গে কোনও সমন্বয় ছাড়াই করা হয়েছে এবং এটি সরকারের নীতির পরিপন্থি। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে এমন দাবি করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় বিবৃতিতে বলেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার এই বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনা করবেন। তবে বিবৃতিতে বোর্ডের কোন দিকটি ইসরায়েলি নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ইসরায়েলি সরকারের এক মুখপাত্র।
রয়টার্সের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, হোয়াইট হাউজ শুক্রবার যে নির্বাহী বোর্ডের ঘোষণা দিয়েছে, তাতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের নাম রয়েছে। তবে ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই গাজায় তুরস্কের যেকোনও ভূমিকার বিরোধিতা করে আসছে।
বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ, একজন ইসরায়েলি-সাইপ্রাস বংশোদ্ভূত ধনকুবের এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন মন্ত্রী। আমিরাতি ওই মন্ত্রী ২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করেছিলেন।
সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা যুদ্ধ অবসানের পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। গত সেপ্টেম্বরে ঘোষিত এই পরিকল্পনায় গাজায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাটিক ফিলিস্তিনি প্রশাসন গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ট্রাম্পের সভাপতিত্বে গাজার অস্থায়ী শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ‘শান্তি বোর্ড’ গঠন করা হয়েছে এবং সদস্যদের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। এতে রয়েছেন মার্কো রুবিও, বিলিয়নেয়ার ডেভেলপার স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।