হুথি হামলা বাড়ায় ইরান-সৌদিকে ভিন্ন বার্তা পাকিস্তানের

হুথিদের হামলা বাড়ার মধ্যে ইসলামাবাদ কীভাবে মক্কা চুক্তির দায়িত্ব পালন করবে, ১০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খানকে এ প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, এ ধরনের কিছু এখন আলোচনায় নেই। একই সঙ্গে তিনি জানান, সময় এলে চুক্তির আওতায় পদক্ষেপ নেবে পাকিস্তান।

একই দিন রয়টার্স জানায়, ইয়েমেনি মিত্রদের সামলাতে ইরানকে সতর্ক করেছে ইসলামাবাদ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তান গণমাধ্যমকে জানায়, সামরিক জবাবের কোনও পরিকল্পনা নেই। এরপর তেহরানকে বার্তা পাঠায়, তার অংশীদাররা ইসলামাবাদকে সেই পথেই ঠেলে দিচ্ছে।

দুটি বার্তা একই সমস্যার ভিন্ন ধাপ নিয়ে ভিন্ন উদ্দেশে দেওয়া। পরের সপ্তাহগুলোতেও একই ধারা দেখা গেছে। ইরানের প্রতিক্রিয়া এসেছে দুই সুরে। ৪ অক্টোবর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, মোতায়েনের খবর সত্য না হোক, তেহরান এমনটাই আশা করে। চুক্তি সক্রিয় হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সুর আরও কড়া হয়। তাসনিম বার্তা সংস্থা শিরোনাম করেছিল, তুরস্ক ও পাকিস্তান সৌদি যুদ্ধে যোগ দিয়েছে।

পর্যবেক্ষণ ভূমিকায় তেহরান সন্তুষ্ট হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। আসিফ বলেননি, এটি সৌদি ভূখণ্ডের ওপর, ইয়েমেন সীমান্ত বরাবর, নাকি সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে হচ্ছে। যৌথ বিবৃতিতে সেনা সংখ্যা বা সরঞ্জামের তালিকাও দেওয়া হয়নি।

হুথিরা নিজেদের সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-বুখাইতি রিয়াদের সমর্থনে সেনা মোতায়েন করলে পাকিস্তান ও তুরস্ককে প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে চুক্তি সক্রিয় হওয়ার পর হুথিদের মন্তব্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হয়েছে, কোনও দেশই সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেবে না।

এই অবস্থান নতুন নয়। বসন্ত থেকেই দুই ধারায় চলছে পাকিস্তান। ৩ মার্চ সিনেটে দার বলেন, সৌদি আরবের প্রতি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা-দায়বদ্ধতার কথা তিনি আরাঘচিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বাস চেয়েছিলেন, সৌদি ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হবে না।

সূত্র: এনডিটিভি