ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা উদ্বেগের কারণ নয়: রাশিয়া

ইউক্রেন সীমান্তে সেনাসমাবেশ নিয়ে পশ্চিমাদের উদ্বেগের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে যাচ্ছে রাশিয়া। শনিবার একাধিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অনুশীলন তদারকি করবেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই মহড়ার আরও বিস্তারিত ঘোষণা করেছে মস্কো।

ক্রেমলিনের এক মুখপাত্র বলেছেন, এই ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অনুশীলন নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়। আর এতে কারোরই কোনও উদ্বেগের কারণ নেই।

ওই মুখপাত্র আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘সিচুয়েশন সেন্টার’ থেকে এই মহড়া তদারকি করবেন। তবে এর বিস্তারিত আর কিছু জানাননি তিনি।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়ায় ‘মহাকাশ বাহিনী, দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক জেলা, কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী এবং উত্তরাঞ্চলীয় ও কৃষ্ণ সাগরের নৌবহরের সেনা সদস্য ও অস্ত্র অংশ নেবে।’

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই কৌশলগত সমন্বিত বাহিনীর মহড়ায় সামরিক কমান্ডগুলোর প্রস্তুতি আগেভাগে পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর নির্ভরযোগ্যতাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।

বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হুঁশিয়ারি জানিয়ে বলেছেন, যেকোনও দিন ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে রাশিয়া। পশ্চিমাদের আশঙ্কা, সীমান্তে প্রায় দেড় লাখ সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া, যা তাদের মোট পদাতিক বাহিনীর ৬০ শতাংশ।

ক্রেমলিন দাবি করে আসছে, ইউক্রেন আক্রমণে তাদের কোনও পরিকল্পনা নেই। কিন্তু তারা সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোকে ন্যাটোর সদস্য না করার দাবি জানিয়ে আসছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনে মার্কিন ও ন্যাটোর অস্ত্র মোতায়েন না করা ও পূর্ব ইউরোপ থেকে জোটের সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে।

সূত্র: বিবিসি