তবে মোহাম্মদ ইসলাম আদালতে সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কিশোরী মেয়েটিই তাকে যৌন সম্পর্ক তৈরিতে প্ররোচিত করেছিল। কিন্তু ৯ বছর বয়সী নাবালিকা কিশোরী যৌন সম্পর্ক স্থাপনে তার আরবি শিক্ষককে প্ররোচিত করেছেন এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে মোহাম্মদ ইসলামকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। আদালত কিশোরীর গর্ভের সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করেন যে, ওই গর্ভজাত সন্তানের জনক মোহাম্মদ ইসলাম।
এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, একজন ধর্মীয় শিক্ষকের মাধ্যমে তার মেয়ে ধর্ষিত হতে পারেন এটা তিনি কল্পনাও করতে পারেননি। ব্রিটিশ বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রাণকেন্দ্র পূর্ব লন্ডনে আরবি শিক্ষকের হাতে কিশোরী নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা আলোচনায় আসার পর লন্ডনের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আরবি শিক্ষকদের ওপর আস্থাহীনতা তৈরি হবে বলে মনে করছেন কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা। সেইসঙ্গে তাদের পরামর্শ- এ ধরনের আরবি শিক্ষাকেন্দ্রে সন্তানদের পাঠানোর ক্ষেত্রে বাবা-মা’দের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
/এএইচ/