দুই দিনেই কেন স্কুল বদলাচ্ছে হ্যারি-মেগানের সন্তানরা?

নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে যুক্তরাজ্যে ফেরার মাত্র দুই দিন পরই স্কুল বদলাতে হচ্ছে ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কলের দুই সন্তানকে। সোমবার দম্পতির এক মুখপাত্র এই তথ্য জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ছেলে হ্যারি এবং তার পরিবার ক্যালিফোর্নিয়ায় ছয় বছর থাকার পর গত মাসে যুক্তরাজ্যে ফিরে আসেন। এরপর ৭ বছর বয়সী প্রিন্স আর্চি এবং ৫ বছর বয়সী প্রিন্সেস লিলিবেটকে সেপ্টেম্বর অর্থাৎ এই মাস থেকে থেকে স্কুলে ভর্তি করা হয়। 

তাদের নতুন বাড়ির অবস্থান এবং সন্তানদের স্কুলের বিশদ বিবরণ গোপন রাখা হয়েছে। তবে সোমবার ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্সের একজন মুখপাত্র আর্চি এবং লিলিবেটের মাত্র দুই দিন পরই স্কুল পরিবর্তনের খবর নিশ্চিত করেছেন।

হ্যারি-মেগানের বাড়ি এবং মূল স্কুলের মধ্যবর্তী দূরত্ব এবং ওই এলাকার তীব্র যানজট তাদের নিরাপত্তা দলকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল। দম্পতির মুখপাত্র বলেছেন, বর্তমান ব্যবস্থার ব্যবহারিক দিকগুলো নিয়ে পরিবারের নিরাপত্তা দলের সঙ্গে আলোচনার পরই শিশুদের স্কুল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক ও কর্মীরা তাদের পরিবারের প্রতি যে ভালোবাসা, যত্ন ও প্রচেষ্টা দেখিয়েছেন, তার জন্য প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান অত্যন্ত কৃতজ্ঞ রয়েছেন। এই সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই স্কুল বা সেখানে শিশুরা যে ব্যতিক্রমী যত্ন পেয়েছে, তার ওপর কোনও নেতিবাচক প্রতিফলন হিসেবে দেখা উচিত নয়।

এই দম্পতি রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন। এর ফলে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হয় এবং এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তারা বেশ কিছু কড়া মন্তব্য করেছিলেন। তাদের এই ফেরা ছিল বেশ আকস্মিক, এমনকি বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার মাত্র কয়েক দিন আগে রাজা চার্লসও তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন না।